পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের অপুষ্টি কমাতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ইউনিসেফ যৌথভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ৩১ শতাংশ শিশু অপুষ্টিগ্রস্ত। ৮ শতাংশ শিশু তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে। এই হার কমাতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, সব কমিউনিটি ক্লিনিকে পুষ্টি সেবা দেওয়া হবে। মায়েদের পুষ্টিকর খাবার ও পরামর্শ দেওয়া হবে। শিশুর বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করা হবে।
পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন, শৈশবে সঠিক পুষ্টি শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ। স্তন্যপান ও পরিপূরক খাবার সঠিকভাবে দেওয়া জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অপুষ্টি দূরীকরণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। দারিদ্র্য বিমোচন, নিরাপদ খাবার সরবরাহ ও সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি।
মন্তব্য
০ টি