টানা তিন দিনের বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে উত্তরবঙ্গের রংপুর, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে। নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, তিস্তা, ধরলা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নিম্নাঞ্চলের বাসাবাড়ি ও ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে।
জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে জরুরি ভিত্তিতে ৪০ কেজি চাল, শুকনো খাবার ও নগদ ৫ হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে চিকিৎসক মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় এক কৃষক আব্দুল হামিদ জানান, তাঁর রোপা আউশের ৩ বিঘা জমির চারা পানিতে ভেসে গেছে। পরিবারসহ স্কুল ভবনে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি।
এদিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্যার পর ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক মূল্যায়ন শেষে পুনর্বাসন সহায়তা বিতরণ করা হবে। স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মন্তব্য
০ টি