চিকিৎসা সেবায় ড্রোন ডেলিভারি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের যৌথ পাইলট প্রকল্প শুরু হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দূরবর্তী এলাকায় জরুরি ওষুধ ও রক্ত পৌঁছাতে ড্রোন ব্যবহৃত হবে। এতে সময় ও জীবন বাঁচবে। গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা উন্নত হবে।
প্রযুক্তি সংস্থা জানিয়েছে, ড্রোন প্রযুক্তি উন্নত করা হয়েছে। ৫ কেজি পর্যন্ত পণ্য বহন করতে পারে। ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত উড়তে সক্ষম।
বেসরকারি সংস্থাগুলোও ড্রোন ডেলিভারি সেবা চালু করার পরিকল্পনা করছে। ই-কমার্স পণ্য ডেলিভারিতে ব্যবহার হতে পারে। তবে নিয়ন্ত্রক কাঠামো প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ড্রোন প্রযুক্তি বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজে লাগানো সম্ভব। কৃষি পর্যবেক্ষণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও মানচিত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হবে। নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা সুরক্ষিত রাখতে হবে।
মন্তব্য
০ টি