বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ২৪ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। গত এক বছরে রিজার্ভ কমেছে ৯ বিলিয়ন ডলার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর জানিয়েছেন, আমদানি ব্যয় বেশি হওয়ায় রিজার্ভ কমছে। তবে রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স বাড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
ব্যাংকিং বিশ্লেষকদের মতে, রিজার্ভ কমে যাওয়া উদ্বেগের। আমদানি নির্ভর অর্থনীতিতে পর্যাপ্ত রিজার্ভ জরুরি। আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিতে হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি আমদানি ব্যয় কমানো হচ্ছে। অপরিহার্য পণ্যের আমদানিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বিলাসবহুল পণ্যের আমদানি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
বিশ্বব্যাংক পরামর্শ দিয়েছে, রিজার্ভ বাড়াতে রপ্তানি বৈচিত্র্যময় করতে হবে। একই খাতের ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে। নতুন পণ্য ও বাজারে জোর দিতে হবে।
মন্তব্য
০ টি