আধুনিক যুগে সন্তান লালন-পালনের চ্যালেঞ্জ বাড়ছে। প্রযুক্তির প্রভাব, সামাজিক পরিবর্তন ও শিক্ষার চাপ শিশুদের জীবনে প্রভাব ফেলছে।
শিশু মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, পিতামাতার সময় ও মনোযোগ শিশুর সুস্থ বিকাশের জন্য জরুরি। স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। বাইরের খেলাধুলা বাড়াতে হবে।
প্যারেন্টিং কোচরা জানিয়েছেন, শিশুর সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। খোলামেলা কথা বলা জরুরি। ভুল ধরিয়ে দিতে হবে ধৈর্য সহকারে।
শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিটি শিশু আলাদা। তাদের স্বপ্ন ও প্রতিভা আলাদা। তুলনা না করে স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্ব হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
পরিবার পরামর্শকদের মতে, পিতামাতার মধ্যে সমন্বয় থাকা জরুরি। একমত হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। পরিবারের স্থিতিশীলতা শিশুর মানসিক স্বাস্থ্যে গুরুত্বপূর্ণ।
মন্তব্য
০ টি