প্রাকৃতিক ও জৈব প্রসাধনীর চাহিদা বাড়ছে। ক্রেতারা রাসায়নিকমুক্ত পণ্যের দিকে ঝুঁকছেন। স্থানীয় উৎপাদন বাড়ছে।
বিউটি প্রোডাক্ট সমিতির সভাপতি বলেছেন, গত দুই বছরে প্রাকৃতিক প্রসাধনীর বিক্রি ৪০ শতাংশ বেড়েছে। বিদেশি ব্র্যান্ডের আধিপত্য কমছে।
স্থানীয় প্রসাধনী প্রস্তুতকারকরা জানিয়েছেন, ভেষজ উপাদান দিয়ে পণ্য তৈরি করা হচ্ছে। নিরাপদ ও কার্যকর। ত্বকের ক্ষতি করে না।
চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, কৃত্রিম প্রসাধনীতে থাকা রাসায়নিক ত্বকের ক্ষতি করে। প্রাকৃতিক পণ্য নিরাপদ। তবে মেয়াদ ও সংরক্ষণে সতর্ক হতে হবে।
পরিবেশবিদদের মতে, প্রাকৃতিক প্রসাধনী পরিবেশবান্ধব। প্যাকেজিং পুনর্ব্যবহারযোগ্য হওয়া উচিত। পরীক্ষায় প্রাণী ব্যবহার বন্ধ করা উচিত।
মন্তব্য
০ টি